1. jagonewsnarsingdi@gmail.com : nurchan :
মঙ্গলবার ১৫ই জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ বিকাল ৩:৪২

শিবপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই

  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ২৬১ বার

স্টাফ রিপোর্টার

সুখে নেই শিবপুর পৌরবাসী। তাদের কষ্টের কথা প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যায়। ফেসবুকে কষ্টের কথা লেখালেখি করলেও তারা কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। ক’জন পৌরবাসী বলেন, আমরা পৌরবাসী নিয়মিত ট্যাক্স প্রদান করে যাচ্ছি। তারপরও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা।’

শিবপুর পৌরসভার প্রধান রাস্তা হল শিবপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে কলেজ গেট পর্যন্ত। আরসিসি এ রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় ড্রেনের উপরের ঢাকনা অধিকাংশ জায়গায় ভেঙ্গে পড়ে আছে অনেকদিন যাবত। কিন্তু এগুলো মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। কোন কোন স্থানে নতুন ঢাকনা দিলেও সেগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই আবার ভেঙ্গে যাচ্ছে। ফলে পথচারীরা চলাচল করতে গিয়ে অনেক সময় ছোটখাট দুর্ঘটনা পড়ছেন বলে জানা গেছে।

এছাড়াও শিবপুর মডেল থানার সামনে থেকে শুরু করে পূর্বপাশে অনেকটুকু জায়গাজুড়ে রাস্তার উপরে রয়েছে বেশকিছু দোকানপাট। এই দোকানপাট থাকার কারণে যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগের পাশাপাশি মানুষজনও হাঁটাচলা করতে পারেন না অনেক সময়। অপরদিকে বাজারে ঢোকার রাস্তার দুই সাইডে সারি সারি দোকান থাকার কারণে মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শুধু তাই নয়,পুলিশ ও জরুরি কাজে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গেলে অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে থাকেন।

অপরদিকে শিবপুর ডিসি রাস্তা নামে পরিচিত সড়কের পুনঃ নির্মাণ কাজের কার্যাদেশ দেয়া হয় প্রায় দেড় বছর আগে। অথচ এই দেড় বছরেও রাস্তাটির পুনঃ নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়নি। ফলে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তাছাড়া এই রাস্তার একাংশের উপরে একটি বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে, এই খুঁটি রাস্তার মধ্যে রেখেই ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে শিবপুর বাজারে ঢোকার আরসিসি রাস্তাটির মধ্যে একটি টিউবওয়েল ও একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রয়েছে। এই জন্য এই সড়ক দিয়ে চলাচলরত মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

শিবপুর সদর রোড এবং বাজারের ব্যবসায়ীগণ পাবলিক টয়লেটের অভাবে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। শিবপুর বাজার ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে একটি টয়লেট থাকলেও সেটি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। সেটি এখন তালাবদ্ধ।

অপরদিকে মনোহরদী-ইটাখোলা সড়কের কলেজগেট নামক স্থানে প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বাঁশের হাট বসে। বাঁশের হাট জমার কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি মানুষজন দুর্ভোগ পোহায়। এছাড়া উক্ত স্থানের সড়কের দুই পাশে পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়। ফলে দুর্গন্ধে মানুষজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন বলে জানান।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নেয়ার জন্য পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। কারণ, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
আরো খবর.
© জাগো নরসিংদী ২৪ আইটি সহায়তাঃ সাব্বির আইটি
Customized By BlogTheme