
স্টাফ রিপোর্টার: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নরসিংদীতে জমে উঠেছে পশু হাট। এবার জেলার বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ীভাবে বসেছে ৮৩টি পশুর হাট। এসব কুরবানীর পশুর হাটে বেড়েছে ক্রেতার ভিড়।
বৃহস্পতিবার ছিলো বাড়িগাঁও সিএন্ডবি পশুর হাটে।এ হাটে বড় বড় ষাঁড়ের বেচাকেনা হয়ে থাকে। ষাঁড়গুলোর মালিকরা দড়ি ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। ষাঁড়গুলো দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতারাও। কেউ কেউ নেড়ে-চেড়ে দেখছিলেন।
তবে হাটে আসা বেশিরভাগ ক্রেতার চাহিদার শীর্ষে রয়েছে মাঝারি আকারের গরু। বড় ও বেশি দামের গরু কেনার মতো ক্রেতার সংখ্যাও রয়েছে বেশ। কিন্তু তার পরেও বড় আকারের গরুর মালিকরা একটু দেখেশুনেই তাদের পশুটি বিক্রি করতে চান।
দেশীয় জাতের চারটি বড় ষাঁড়ের মালিক করম আলী জানান, এ হাটে নিয়ে আসা তার ষাঁড়গুলোর দাম চাওয়া প্রতি জোড়া পাঁচ লাখ টাকা। সাড়ে ৩ লাখ টাকা দাম উঠেছে। অন্য এক জোড়ারও একই দাম উঠেছে। তবে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা হলে ছেড়ে দেবেন তিনি। অনেক কষ্টে খেয়ে না খেয়ে লালন-পালন করা গরুগুলোর ন্যায্য দামের আশায় বুক বেঁধে আছেন তিনি।
গত বুধবার জেলার সর্ব বৃহৎ শিবপুর উপজেলার পুটিয়া পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, বিকাল থেকে পশুর বেচাকেনা পুরোদমে শুরু হয়েছে। সন্তোষজনক বেচাকেনা হলেও গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশুর দাম বেশি বলে জানিয়েছেন ক্রেতা বিক্রেতারা। এতে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষকে বাজেট অনুযায়ী পশু কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সবকটি বাজারে ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর বেশি চাহিদা বলে জানান ক্রেতা বিক্রেতারা।
এ বছর দেশের বাইরে থেকে ব্যাপক হারে পশু আমদানি না হওয়ায় লোকসানের আশংকা নেই খামারিদের। বিক্রেতা ও পাইকাররা অল্প লাভেই বিক্রি করছেন দেশিয় গরু। আগামী শুক্র ও শনিবার বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসবে। শেষ বাজারে অনেকেই কোরবানির পশু ক্রয় করবেন বলে জানা গেছে।